জন্মনিয়ন্ত্রণের নিরাপদ পদ্ধতি কোনটি

0
34

নবদম্পতি, অর্থাৎ অল্পবয়সী দম্পতির জন্য শারীরিক পরিবর্তন, গর্ভধারণ, যৌনসংক্রমণ প্রভৃতি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিন বছর বা পাঁচ বছর মেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ‘ইমপ্ল্যান্ট’ উপযুক্ত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। এ ছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি, কনডম প্রভৃতি সহজলভ্য ও সমাদৃত। * পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীদের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির বিশেষ চাহিদা রয়েছে; তাঁদের বেশির ভাগেরই অন্তত দুটি সন্তান রয়েছে এবং আর সন্তান নিতে চান না। অনেকে মনে করেন, আর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কিংবা এ বয়সে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা অন্য পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত হন। আসলে একজন সুস্থ মধ্যবয়সী নারীর জন্য সব পদ্ধতিই নিরাপদ। তবে বয়স্ক নারীদের, যাঁদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেশি অথবা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাঁদের পিল বা বড়ি এবং ইনজেকশন ব্যবহার করা উচিত নয়। তাঁদের জন্য কপার-টি এবং স্থায়ী পদ্ধতিই বেশি উপযোগী। * কমবয়সী নারী-পুরুষের স্থায়ী পদ্ধতি, অর্থাৎ নারীর ক্ষেত্রে লাইগেশন এবং পুরুষের ভ্যাসেকটমি পদ্ধতি গ্রহণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। * যাঁদের একটি সন্তান আছে কিন্তু পরবর্তী সন্তানের জন্মের আগে কিছুটা সময় চান (বার্থ স্পেসিং), তাঁদের জন্য তিন মাস মেয়াদি হরমোনাল ইনজেকশন, তিন বছর মেয়াদি ইমপ্ল্যান্ট, পাঁচ বছর মেয়াদি জেডেল কিংবা মুখে খাওয়ার বড়িও বেশ স্বীকৃত ও সহজলভ্য। একটি সন্তান জন্মের পর নন-হরমোনাল কপার-টিও হতে পারে জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি ভালো ব্যবস্থা। তাই যার যার অবস্থা বুঝে জুতসই একটি পদ্ধতি বেছে নিন। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর পরামর্শ নিন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here