Breaking News
Home / বিনোদন

বিনোদন

সিলেটে চা বাগানগুলোতে পর্যটকদের ভিড়

ঈদের ছুটিতে চা বাগানগুলোতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। চারপাশে সবুজের সমারোহ। নীল আকাশের নিচে যেন সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি। উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ। শুধু সবুজ আর সবুজ। মাঝে মাঝে টিলা বেষ্টিত ছোট ছোট জনপদ। প্রকৃতির সকল সৌন্দর্যের সম্মিলন যেন এখানে। এমন অন্তহীন সৌন্দর্যে একাকার হয়ে আছে …

Read More »

সয়াবিন সঠিক চাষ পদ্ধতি

সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য সয়াবিন। আমিষ ও ভোজ্যতেল উৎপাদনে এটি অতি প্রয়োজনীয়। আজকের আয়োজন এর নানা দিক নিয়েআমিষ ও ভোজ্য তেল উৎপাদনে সয়াবিন গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশে এটি প্রধান ফসল হলেও বাংলাদেশে এখনও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। বাংলাদেশে সয়াবিন তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে বাজারজাত করা হচ্ছে। এতে দ্বিগুণ মূল্যে দিয়ে সয়াবিনের চাহিদা পূরণ …

Read More »

চলতি মৌসুমে ৩৫০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা

লক্ষ্মীপুরে সুপারি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় দিন দিন এ অঞ্চলে বাড়ছে সুপারির উৎপাদন। এতে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। এদিকে গত বছরের চেয়ে এবার বাজারদর বেশ ভালো থাকায় খুশি সুপারি চাষিরা। এখানকার উৎপাদিত সুপারির গুণগতমান ভালো হওয়ায় তা জেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। এবার উৎপাদিত সুপারি থেকে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা আয় হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, চলতি বছর জেলার পাঁচটি উপজেলায় ছয় হাজার ৭৯৫ হেক্টর জমিতে সুপারির  হয়েছে, যা থেকে উৎপাদন হয়েছে ১৩ হাজার ৬৭৪ মেট্রিক টন সুপারি। এ বিপুল পরিমাণ সুপারির বাজারদর প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। এদিকে চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মতো বৃষ্টিপাতের ফলে লক্ষ্মীপুরে এবার সুপারির  ফলন হয়েছে। এতে হাসি ফিরেছে সুপারি চাষিদের মুখে। মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন হাটবাজারগুলোয় সুপারি কেনাবেচায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অঞ্চলের সুপারি চাষি ও ব্যবসায়ীরা। গত বছরের তুলনায় বাজারদর এবার ভালো থাকায় খুশি সুপারি চাষিরাও। রায়পুর উপজেলার চরবংশী এলাকার কামরুল হোসেন, নজির মিয়াসহ কয়েকজন সুপারি চাষি জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর সুপারির দাম বেশি। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় সুপারির ফলনও হয়েছে বেশ। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা এলাকার কবির খাঁ, জামাল মিয়াসহ কয়েকজন সুপারি ব্যবসায়ী জানান, গত বছরের তুলনায় এবার সুপারির বাজারদর ভালো। গেল বছর যেখানে প্রতি কাওন (১৬ পোন) সুপারি কেনাবেচা হতো ১৫শ’ থেকে ১৬শ’ টাকায়। এবার তা হচ্ছে ১৮শ’ থেকে দুই হাজার টাকায়। প্রতি পোন (২০ গণ্ডা) সুপারি এখন মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়। এখানকার উৎপাদিত সুপারি মানের দিক থেকে ভালো ও সুস্বাদু হওয়ায় এর বেশ চাহিদা রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ সুপারি বিক্রি হচ্ছে। দামও ভালো পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অঞ্চলে সুপারিভিত্তিক শিল্প–কারখানা ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি লাভবান হতেন সুপারি চাষিরাও। লক্ষ্মীপুরের সুপারিকে সম্ভাবনাময় ফসল উল্লেখ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বেলাল হোসেন খান জানান, আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করায় এ অঞ্চলে দিন দিন সুপারি চাষাবাদে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। সুপারির সহায়ক শিল্প ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতো বলে মনে করেন এ কর্মকর্তা।

Read More »

এগোচ্ছে না রাঙামাটির পর্যটন শিল্প

দেশি–বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণের জায়গা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙামাটি। তবে বিভিন্ন সমস্যা ও কারণে সফলভাবে এগোচ্ছে না এখানকার পর্যটন শিল্প। পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বিশাল অংশ জুড়েই রয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম । এছাড়া রয়েছে জেলা শহর সংলগ্ন দর্শনীয়  পাহাড়, পাহাড়ে মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালিসহ অনেক দর্শনীয় স্থান। পর্যটন ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, শীতের শুরু থেকে বছরের পাঁচ মাস জেলায় পর্যটন ব্যবসা ভালো চললেও বাকি সাত মাস তাদের অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয়। এ জন্য রাঙামাটিতে পর্যটন শিল্পে তেমন একটা দৃশ্যমান উন্নয়ন না হওয়া ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে  করেন তারা। রাঙামাটি ট্যুরিস্ট বোট–মালিক সমিতির সহ–সভাপতি মো. রমজান আলী বলেন, ‘পর্যটন এলাকায় আসা পর্যটকদের চলাচল এবং  নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট সহায়তা করে যাচ্ছে। তবে বছরের মাত্র কয়েকটি মাস আমাদের ভালো ব্যবসা হলেও বেশিরভাগ সময়ই থাকতে হয়।’ বিষয়টি স্বীকার করে রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, ‘পাঁচ মাস ভালো ব্যবসা আর বাকি সাত মাস কম ব্যবসা করে পর্যটনকে এগিয়ে নেয়া খুবই মুশকিল, এ অবস্থার উত্তোরণ ঘটাতে হবে।’ জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যেসব রাইড প্রয়োজন সেগুলোসহ শিশু বিনোদনের কোনো রাইড গড়ে তোলা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটকদের আবাসন সুবিধার জন্য ভবনের পাশাপাশি পর্যটকবান্ধব নিরিবিলি নৈসর্গিক পরিবেশ গড়ে তোলা খুবই জরুরি। এসব অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে এখানকার পর্যটন শিল্প অনেকটাই এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে সরকারিভাবে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন পর্যটন কমপ্লেক্সে নতুন কিছু ভবন নির্মাণ এবং হ্রদের ওপর  সেতু ছাড়া পর্যটন এলাকায় দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন করা হয়নি। জেলা পর্যটন কমপ্লেক্সের বিশাল এলাকাজুড়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিতে পারলে এখানকার পর্যটন শিল্পে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। রাঙামাটিতে পর্যটন খাতে কিছু দৃশ্যমান উন্নয়ন করা হয়েছে। এসব স্থানেই মূলত পর্যটকদের বেশি ভিড়।  বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন পর্যটন এলাকা পলওয়ে পার্কের ব্যাপক উন্নয়ন করে সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর। তিনি বলেন, ‘রূপের রানি রাঙামাটি সারা দেশের পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা। এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে এখানে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। রাঙামাটিতে পর্যটকরা সব সময় আসতে পারেন। কিন্তু দেখা যায় বছরের সব সময় এখানে পর্যটকরা বেড়ানোর জন্য আসেন না।’ বর্ষা মৌসুমে রাঙামাটিকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় লাগলেও তখন পাহাড় ধসসহ বিভিন্ন কথা বলে পর্যটকদের অনাগ্রহী করে তোলা হয় জানিয়ে তিনি এসব বিষয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করাসহ ব্যাপক চালিয়ে পর্যটন শহর রাঙামাটিকে দেশ–বিদেশের মানুষের মাঝে তুলে ধরার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

Read More »